আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি । লেখা (এ.টি.এম রুহুল আমিন)
বিখ্যাত স্প্যানিশ লেখক Miguel de Cervantes - এর বিখ্যাত একটি উক্তি "The man who is prepared has his battle half fought".
আপনি যখন নিশ্চিত জানেন আপনার জন্য সম্ভাব্য সবচেয়ে বড় প্রতিযোগিতা অপেক্ষা করছে, তখন নিজেকে যোগ্যতর করতে হলে মেধা,শ্রম,ভাগ্যের পাশাপাশি সবচেয়ে বড় নিয়ামক হচ্ছে আপনার সঠিক পরিকল্পনা.. আপনি পর্বতারোহণ করতে যে ধরনের প্রস্তুতি নিবেন..নভোচারী হতে নিশ্চয় একই রকম প্রস্তুতি নিবেন না..তাহলে অগ্রজ/অভিজ্ঞদের পরামর্শ এবং নিজস্ব বিশ্লেষণ/মেধার প্রয়োগে জেনে নিতে হবে আপনার রাস্তার বন্ধুরতা কেমন...তারপর নিজস্ব সবলতা/দুর্বলতা/ঘাটতি/লিমিটেশনসহ অন্যান্য ফ্যাক্টরের কম্বিনেশনে নিজের জন্য অপটিমাম/অত্যানুকূল পরিকল্পনাটি বাছাই করে নিতে হবে।
বিসিএস প্রিলিমিনারি স্টেজে বিষয়ভিত্তিক পরিকল্পনা করতে হয়- আজ বাংলাদেশ বিষয়াবলি নিয়ে আলোচনা করা যাক।
আপনি যদি দূরদর্শী প্রার্থী হোন..তাহলে আপনাকে এই কথাটি মাথায় রাখতেই হবে যে,বিসিএসের যাত্রায় প্রিলিমিনারি হলো স্টার্টিং স্টেশনমাত্র...শুধু প্রিলিমিনারি পাসে গন্তব্যে পৌঁছা যায় না..তাই লিখিত সিলেবাসও দেখা নিলে পরবর্তীতে সমন্বয় করে পড়া সহজ হয়ে যায়...বিসিএসের দুষ্টচক্রে আপনি প্রথম বিসিএসে সুপারিশপ্রাপ্ত হলেও পরবর্তী প্রিলি,লিখিত,ভাইভা-চক্রে আবর্তিত হতে থাকবেন।
বাংলাদেশ বিষয়াবলিতে প্রিলিমিনারিতে ৩০ নাম্বার
এখানে ১০-১২ টি প্রশ্ন সাধারণত এমন থাকে যে আজকে প্রিপারেশন নেয়া শুরু করছে সেও পারবে মানে অতি সহজ/কমন।যারা মোটামুটিভাবে নিজেকে প্রস্তুত করতে পারে তারা ১৫-১৬ টি প্রশ্নোত্তর অনায়াসে পারে...এর পরবর্তী প্রতিটি মার্কের জন্য উত্তম পরিকল্পনার পাশাপাশি ইনটেনসিভ স্টাডি করা প্রয়োজন।২২-২৩মার্ক বাংলাদেশ বিষয়াবলির জন্য খুবই ভালো মার্ক।বাংলাদেশ বিষয়াবলিতে ভালো প্রিপারেশন নিলে ভূগোল/নৈতিকতা অংশের অনেকখানি প্রিপারেশনও হয়ে যায়।
রেফারেন্স বই:
১.নবম/দশম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচিত
২.নবম/দশম শ্রেণির বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা
৩.নবম/দশম শ্রেণির পৌরনীতি ও নাগরিকতা
৪.পৌরনীতি ও সুশাসন, ২য় পত্র,একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি(প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক)
৫.বাংলাদেশের সংবিধান -আরিফ খান/অথবা সংবিধানের ব্যাখ্যাসংক্রান্ত যেকোনো বই
৬.তথ্যসমৃদ্ধ মানচিত্র (যেকোনো প্রকাশনী)
৭.নিয়মিত পত্রিকা পাঠ
৮.যেকোনো প্রচলিত একটি সহায়ক বই;তবে আকারে ছোট বই কেনা উচিত ( ২০ হাজার প্রশ্ন পড়ে ৩০ এ ২৫ পাওয়া থেকে ৫০০০ প্রশ্ন পড়ে ২২ পাওয়া বেটার)
৯.অর্থনৈতিক সমীক্ষাসহ গুরুত্বপূর্ণ রিপোর্টসমূহ
এতো এতো বইয়ের নাম দেখে ঘাবড়ে যাওয়ার কিছু নেই;এখানে একটি আরেকটির পরিপূরক এবং টপিকগুলোর ওভারলেপিং আছে এবং সিলেবাসের সাথে মানানসই টপিকই পড়তে হয়, তাই ভয় পাওয়ার কিছু নেই।
চলুন শুরু করি:
সিলেবাসের টপিক নং ২:
বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ -০৩
বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করলে এই অংশের জন্য যা যা পড়া উচিত
আবাদি/অনাবাদি জমির পরিমাণ,বিভিন্ন কৃষিজ গবেষণা কেন্দ্রের নাম ও অবস্থান,বিশেষ বৈশিষ্ট্যের শস্য/সবজি,বিভিন্ন উফশীজাতের ফসলের নাম,বড়/ছোটদিনের উদ্ভিদ,কৃষিসম্পর্কিত বিভিন্ন দিবস,খাদ্য নিরাপত্তাসংক্রান্ত প্রশ্ন,রবি/খরিফ শস্য,আউশ/আমন/বোরো ধান চাষকালের নাম,প্রথম কৃষিশুমারি কখন হয়েছে+সর্বশেষ কৃষিশুমারির সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য তথ্য প্রভৃতি।
০৩.বাংলাদেশের জনসংখ্যা,আদমশুমারি,জাতি,গোষ্ঠী,উপজাতিসংক্রান্ত-০৩
সর্বশেষ অর্থনৈতিক সমীক্ষার জনসংখ্যাসংক্রান্ত তথ্য,সর্বশেষ আদমশুমারি/জনশুমারির শুধু প্রাসঙ্গিক তথ্য,মোট উপজাতি সংখ্যা, প্রধান প্রধান উপজাতির বসবাসের এলাকা,বিশেষ পোশাক/খাবার/ধর্মীয় এবং সামাজিক অনুষ্ঠান,তাদের সমাজ/পারিবারিক কাঠামো,ভাষার নাম,আদি বাসস্থান,সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান,বাঙালি জাতির উদ্ভবসংক্রান্ত তথ্যাদি।
০৪.বাংলাদেশের অর্থনীতি ০৩
সর্বশেষ অর্থনৈতিক সমীক্ষা হতে আর্থসামাজিক উন্নতি নির্দেশক তথ্যাদি,জিডিপি/মাথাপিছু আয়সংক্রান্ত তথ্য,আমদানি-রপ্তানিসংক্রান্ত তথ্য,সর্বশেষ বাজেট/পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা,চলমান প্রেক্ষিত পরিকল্পনার উল্লেখযোগ্য তথ্যাদি,প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা কবে প্রণয়ন করা হয়,পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়/কমিশনসংক্রান্ত তথ্যাদি,NEC,ECNEC,NICAR,BIDA,BEPZA,SEZA,অর্থ মন্ত্রণালয়/বাংলাদেশ ব্যাংকসংক্রান্ত তথ্যাদি,সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী, আশ্রয়ন প্রকল্প,মেগা প্রকল্প/ফাস্ট ট্র্যাক প্রকল্প,VGD,VGF,বয়স্কভাতা,সর্বজনীন পেনশন স্কিম,বিদ্যুৎখাতসংক্রান্ত তথ্যাদি প্রভৃতি।
০৫.বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য- ০৩
EPZসংক্রান্ত তথ্যাদি,মোট রপ্তানি আয়ে গার্মেন্টস সেক্টরের অবদান,গার্মেন্টসসংক্রান্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নাম,GSP,GSP+,বাণিজ্য ঘাটতিসংক্রান্ত তথ্যাদি,রেমিট্যান্সসংক্রান্ত তথ্যাদি,চিংড়ি/চামড়া প্রভৃতি রপ্তানিসংক্রান্ত তথ্যাদি,আমাদের প্রধান প্রধান বাজার,বিশ্ব প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের অবস্থান প্রভৃতি।
০৬.বাংলাদেশের সংবিধান -০৩
সংবিধান রচনার ইতিহাস, প্রস্তবনা,প্রধান বৈশিষ্ট্য, সংবিধানের প্রথম ৩ অধ্যায়,নির্বাচনসংক্রান্ত অনুচ্ছেদ,১১৭,১৩৭,১৪০,১৪১ক-গ,১৪২,৯৩,৫৬,৯৫,৭৭,৮১,১৫২ প্রভৃতি অনুচ্ছেদ, ৫ম-৭ম তফসিল, ১ম,২য়,৪র্থ,৫ম,১৫শ,১৭শ সংশোধনী।
০৭.বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা-০৩
বিভিন্ন সুশীল সমাজ/এনজিও'র নাম এবং কাজের ধরন(সুজন,TIB,রেডক্রস....),চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর প্রকারভেদ প্রভৃতি।
০৮.বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা-০৩
রাষ্ট্রের অঙ্গসমূহের নাম ও আন্তসম্পর্ক/কাজের অধিক্ষেত্র প্রভৃতি,প্রশাসনিক কাঠামো,ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা/জেলা পরিষদ/পার্বত্য চট্টগ্রাম পরিষদ/সিটি কর্পোরেশনের গঠন এবং নির্বাচন সংক্রান্ত তথ্যাদি,পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি,NICAR,ECNEC প্রভৃতি।
০৯. বিবিধ জাতীয় বিষয়াবলি-০৩
বঙ্গবন্ধু,জাতীয় চার নেতা,বর্তমান রাষ্ট্রপতি/প্রধানমন্ত্রী,সাম্প্রতিক বছরগুলোতে(আসন্ন পরীক্ষার কমপক্ষে ৩মাস পূর্বের ঘটনা) রাষ্ট্রীয়/আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ইতিবাচকভাবে আলোচিত ব্যক্তিত্ব/চলচ্চিত্র/খেলোয়ার/ইনফ্লুয়েন্সার/আন্তর্জাতিক পুরস্কার বিজেতা,জাতীয় সংসদ,বাংলা একাডেমি,বিখ্যাত ভাস্কর্য ও সংশ্লিষ্ট ভাস্কর,বিভিন্ন গবেষণা কেন্দ্র ও ইন্সটিটিউটের নাম ও অবস্থান প্রভৃতি।
সিলেবাসের ১নং টপিক:
বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি-০৬
সিলেবাসের ভাইটাল একটা অংশ,এখানে সময় বেশি দিতে হয় তবে সময় বিনিয়োগটা কার্যকরী করতে নিচের ট্রিকস ফলো করা যেতে পারে--
রিটেন সিলেবাসের বিশাল একটা অংশ এখান থেকে কাভার করা যায়...তাই ১৯৪৭ তথা ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত ঘটনাবলি লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতির মতো বিস্তারিত পড়া যেতে পারে...এখানে আমাদের সবার জন্য প্লাস পয়েন্ট এই অংশটুকু আমাদের সবারই কমবেশি পরিচিত।তাই পরিচিত আলোচনার অপরিচিত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো ফোকাস করে নিজেকে সমৃদ্ধ করতে হবে।
এর মধ্যেও বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ - তমুদ্দন মজলিস,ভাষা সংগ্রাম কমিটিসমূহ,২১শে ফেব্রুয়ারি-৫২ এর আশেপাশের দিনগুলোর বিশেষ ঘটনাবলি,৫৪এর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনের গুরুত্বপূর্ণ অংশাবলি,আওয়ামী লীগের গঠনসংক্রান্ত ইতিহাস, ৬দফা,আগরতলা মামলা,৬৯এর গণঅভ্যুত্থান,৭০এর নির্বাচন,৭মার্চের ভাষণ,বঙ্গবন্ধুর গ্রেপ্তার ও পাকিস্তানে বন্দিজীবন,অস্থায়ী সরকারের গঠন ও কার্যাবলি,পাকবাহিনীর আত্মসমর্পণের ঘটনাবলি,মুক্তিযুদ্ধের সেক্টরসমূহ,মিত্র/যৌথবাহিনীর গঠম,অপারেশন জ্যাকপট,মুক্তিযুদ্ধে ভারত,যুক্তরাষ্ট্র,চীন,রাশিয়া এবং জাতিসংঘের ভূমিকা,বিদেশি সংবাদ মাধ্যম ও সাংবাদিকদের ভূমিকা,কনসার্ট ফর বাংলাদেশ প্রভৃতি,বঙ্গবন্ধুর ২য় বিপ্লব এবং ১৫ আগস্টের ঘটনাবলি।
*প্রাচীনকাল হতে সম-সময়িকালের ইতিহাস
এই একটা অংশ যার শুরু শেষ নির্ধারণ করা কঠিন এবং ইতিহাসের ছাত্র ছাড়া প্রায় সবার কাছেই এটা বেশ অপরিচিত ও আনকমফরটেবল একটা জায়গা...তবে অনেকেই না বুঝে এখানে অনেক অনেক সময় দিয়েও আশানুরূপ আউটপুট পায় না-- বিগত প্রশ্ন দেখলে এটা পরিষ্কার যে এখান ১-২ টির বেশি প্রশ্ন আসে না(প্রকৃতপক্ষে মোট ৬ নাম্বার থেকে ২টির অধিক প্রশ্ন সেট করা আসলে বাস্তবসম্মতও না) আবার লিখিত পরীক্ষা জন্যও এই অংশ তেমন গুরুত্বপূর্ণ না।তাহলে এই ২ নাম্বার না পেলেও আমার তেমন কোনো লস নেই,তাই এখান থেকে শুধু বিগত পরীক্ষায় আসা প্রশ্নগুলো+খুবই আলোচিত কিছু প্রশ্ন পড়া উচিত-যেমন: পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে,বখতিয়ার খিলজি কবে বাংলা বিজয় করেন,নবাব সিরাজুদ্দৌলা কবে পলাশীর যুদ্ধে পরাজিত হোন,কোম্পানি কবে দেওয়ানি লাভ করে,সিপাহি বিদ্রোহ, সর্বশেষ মোগল সম্রাট,বঙ্গভঙ্গ, বঙ্গভঙ্গ রদ প্রভৃতি।
উল্লেখ্য -- নিয়মিত মানচিত্র এবং পত্রিকা পাঠ করা উচিত।নিয়মিত পত্রিকাপাঠে বিভিন্নমাত্রায় চিন্তার বিকাশ এবং জ্ঞানার্জন সম্ভব।
আপনি আপনার সিলেবাস কাভার করার পর যত পারেন তত রিভিশন দিতে হবে,তাই যে তথ্য মনে রাখতে কষ্ট হচ্ছে/বিরক্তিকর লাগছে তা টোটালি বাদ দিন-ভয় পাওয়ার কিছু নাই কেননা প্রশ্নকর্তার হাতে অসংখ্য প্রশ্ন আছে,আর আপনারও সব প্রশ্নই পারতে হবে এমন না;কিছু প্রশ্ন অনেকবার পড়ার পরেও পারবেন না,আবার কিছু প্রশ্ন আগে কখনও দেখেন নি তবু পারবেন।
প্রস্তুতির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আপনার হাতে কত সময় আছে,আপনার হাতে ১বছর সময় থাকলে একরকমভাবে প্ল্যান সাজাবেন,আর ৬/৪ মাস থাকলে প্ল্যান নিশ্চয় অন্যরকম হবে,তবে যত সময় নিয়েই রাস্তা হাটা শুরু করেন না কেন উপর্যুক্ত বিষয়গুলোকে আপনাকে টাচ করতেই হবে;তাই আপনার সময় ও শক্তি বিবেচনা করে এডজাস্ট করে নিন।
বিলিভ মি- যে যত কথাই বলুক না কেন বিসিএসে সফল হওয়ার জন্য কোনো শর্টকাট নেই,তবে গোছানো পরিকল্পনা আছে; আপনাকে অবশ্যই একটা সারটেন নলেজ গ্যাদার করেই প্রতিটি স্টেপ অতিক্রম করতে হবে।
আমি যে ভাবনাটা আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম তা লক্ষাধিক বিকল্পের একটি নমুনামাত্র,এটি ফিক্সড কোনো বিষয় নয়;আমার সাথে আপনার/আপনাদের দ্বিমত খুবই স্বাভাবিক বিষয়।
অপ্রাসঙ্গিক মনে হলে অনুগ্রহ করে এড়িয়ে চলুন,দীর্ঘ লেখার ত্রুটিসমূহ ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ রইল।
আপনাদের যাত্রা শুভ হোক...বিরক্তিকর কোনো ট্র্যাফিক জ্যাম আপনাদের স্পর্শ না করুক...মেট্রোরেলের মতো স্মুদ,স্মার্ট একটা জার্নি উপভোগ করুন...তবে জানেন তো মেট্রোরেলে চড়তে হলে আগের সবগুলো স্টেপ ঠিকঠাক সারতে হয়?...যদি তা না পারেন তাহলে কিন্তু সেই ট্র্যাফিক জ্যাম...একই রাস্তা... কিন্তু দীর্ঘ সময়...
ধন্যবাদান্তে
এ.টি.এম রুহুল আমিন
সহকারী কমিশনার, বিসিএস-প্রশাসন( সুপারিশপ্রাপ্ত,৪৩তম বিসিএস)

No comments